২২। সূরা হাজ্জ

শুরুতেই কিয়ামতের ভয়াবহতা! জগতে মা সবচেয়ে আপন, সবচেয়ে বেশি ভালবাসে, আগলে রাখে। দুগ্ধপোষ্য শিশুকে মা অন্য সবার চাইতে বেশি যত্ন করে, অন্যদিকে গর্ভের শিশুকে মা নিজের জীবনের চাইতে বেশি ভালবাসে; 

কিন্তু কিয়ামত এর কম্পন যখন শুরু হবে তখন মা দুগ্ধপোষ্য শিশুকেই ফেলে দিবে! এবং অন্য মা এর গর্ভপাত ঘটে যাবে! কি ভয়াবহ। এই বর্ননা দেয়া হয়েছে ২য় আয়াতে

এরপর খুব সুন্দর একটা তুলনা এর মধ্য দিয়ে গেছে কয়েকটি আয়াত মায়ের গর্ভ থেকে যেমন আমরা বের হয়ে এসেছি

মাটির গর্ভ থেকেও তেমন আমরা বের হয়ে আসবো

আবার শুষ্ক মাটি থেকে নানা রকম গাছ বের হয়ে আসে। ঠিক তেমনি শুষ্ক মাটি থেকে সব ধরনের মানুষ বের হয়ে আসবে


মানুষের সৃষ্টির সূচনা আল্লাহ নিখুঁতভাবে বর্ননা করেছেন। যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনিই তো জানেন কিভাবে এই সৃষ্টি হয়েছে। তাই তিনি মানুশকে তার সৃষ্টি সম্পর্কে অন্ধকারে রাখেননি, বিভিন্ন আয়াতে বলে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে তিনি ‘নুতফাহ’(নগণ্য পরিমান তরল/শুক্রাণু) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। এটি পাওয়া যায় আল কুরআনের ১৬:৪, ১৮:৩৭, ২২:৫, ২৩:১৩, ৩৫:১১, ৩৬:৭৭, ৪০:৬৭, ৫৩:৪৬, ৭৫:৩৭, ৮০:১৯ তে।  

চাঁদ (কমার) শব্দটি আল কুরআনে এসেছে ২৭ বার (৬ঃ৭৭, ৬ঃ৯৬, ৭ঃ৫৪, ১০ঃ৫, ১২ঃ৪, ১৩ঃ২, ১৪ঃ৩৩, ১৬ঃ১২, ২১ঃ৩৩, ২২ঃ১৮, ২৫ঃ৬১, ২৯ঃ৬১, ৩১ঃ২৯,৩৫ঃ১৩, ৩৬ঃ৩৯, ৩৬ঃ৪০, ৩৯ঃ৫, ৪১ঃ৩৭, ৫৪ঃ১, ৫৫ঃ৫, ৭১ঃ১৬, ৭৪ঃ৩২, ৭৫ঃ৮, ৭৫ঃ৯, ৮৪ঃ১৮, ৯১ঃ২)। 

অবাক করা বিষয় হল চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ২৭ দিন সময় লাগে। তবে এই সময়ে পৃথিবী আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে ২ দিন এগিয়ে যায়। এজন্য চাঁদকে আরও দুদিন বেশি ঘুরতে হয় এজন্য চন্দ্র মাস ২৯ দিনে হয়। 

১৯-২২ নং আয়াতে জাহান্নামের কিছু বর্ননা দেয়া হয়েছে। এর একটা কল্পিত প্রতিকী চিত্র আঁকার  চেষ্টা করা হয়েছে।

এছাড়াও কুরআনের আরো কিছু সূরার আয়াতের সাহায্যে জাহান্নামের আরো কিছু আযাবের চিত্র এখানে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।  

সবুজ শব্দটি কুরআনে এসেছে ৮ বার। জান্নাতের দরজা ৮ টি। জান্নাতের সাথে সবুজ শব্দটি সবচেয়ে সম্পর্কিত। আল কুরআনের সূরা আনআম, ইউসুফ, কাহাফ, হজ্জ, ইয়াসীন, রহমান, দাহরে এসেছে সবুজ শব্দটি। কালো শব্দটি কুরআনে এসেছে ৭ বার। জাহান্নামের দরজা ৭ টি। জাহান্নামের সাথে কালো শব্দটি সবচেয়ে সম্পর্কিত। আল কুরআনের সূরা বাকারা, আলে ইমরান, নাহল, ফাতির, জুমার, জুখরুফ এ এসেছে কালো শব্দটি।

অর্থাৎ জান্নাত ও জাহান্নামের দরজা মোট ১৫ টি। আল কুরআনে দরজা শব্দটির বহুবচনঃ দরজাসমূহও এসেছে ১৫ বার। এগুলো এসেছে বাকারা, আনআম, আরাফ, ইউসুফ, হিজর, নাহল, সোয়াদ, জুমার, মুমিন, জুখরুফ, কমার, নাবা তে। মজার ব্যাপার হলো, ৭ম বারে আসা দরজা শব্দটির আয়াতটি জাহান্নামের দরজা সম্পর্কিত এবং ৮ম বারে আসা দরজা শব্দটির আয়াতটি জান্নাতের দরজা সম্পর্কিত। কি দারুন মিল!

আল কুরআনের আলোকে ২ ধরনের বাতাসের পার্থক্যঃ  বহুবচনের বাতাস ‘রিয়াহ’  এই বাতাস নিয়ামত হিসাবে আসে। হেলেদুলে প্রবাহিত হয়, কখনও এদিক থেকে কখনও  ওদিক থেকে বিক্ষিপ্তাকারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বইতে থাকে; কেমন যেন সেখানে অনেকগুলো বাতাস থাকে । এমন উদাহরন আছে বিভিন্ন সূরা ও আয়াতে। যেমনঃ ২:১৬৪, ৭:৫৭, ১৫:২২, ১৮:৪৫, ২৫:৪৮, ২৭:৬৩, ৩০:৪৬, ৩৫:০৯, ৪৫:০৫

অপরদিকে এক বচনের বাতাস ‘রীহ’। এই বাতাস আযাব হিসাবে আসে। বজ্রকঠিন ও একে অন্যের সাথে লাগোয়া। অনেক বেশি জমাটবাঁধা, ঘনীভূত ও সঙ্ঘত; কেমন যেন একটাই মাত্র তাবাস থাকে। এমন উদাহরন আছে বিভিন্ন সূরা ও আয়াতে। যেমনঃ  ৩:১১৭, ১৪:১৮, ১৭:৬৯, ২২:৩১, ৩০:৫১, ৩৩:৯, ৪২:৩৩, ৪৬:২৪ সাধারনভাবে একবচন ও বহুবচন নেকই ধরনের অর্থ প্রকাশ করলেও আল কুরআন এখানে বহুবচনে নিয়ামত ও একবচনে আযাব প্রকাশ করেছে।    

২২ তম সূরা হাজ্জ এর ৪২-৪৪ নং আয়াতে অন্য সকল নবীর ক্ষেত্রে তাদেরকে তাদের জাতির লোকেরা অস্বীকার করেছিল বলা হলেও মুসা (আঃ) এর ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে, তাকে অস্বীকার করা হয়েছিল।

অর্থাৎ মুসা (আঃ)  ব্যতিক্রম ছিলেন কারন তার জাতির লোকেরা ছিল বনী ইসরইল, তারা তাকে অস্বীকার করেনি বরং ফিরাউন ও তার লোকেরা অস্বীকার করেছিল। আল্লাহ এই সুক্ষ বিষয়টিও এড়িয়ে না গিয়ে এভাবে আলাদা ও নিখুঁতভাবে দুই ধরনের বাচ্য ব্যবহার করে বিষয়টি বর্ননা করেছেন।  

পৃথিবীর সব উপাস্য বা মানুষ একত্রিত হলেও ক্ষুদ্র একটি মাছি সৃষ্টি করার ক্ষমতা কারও নেই। মূর্তির সামনে খাবার রাখা হয়, সেখানে মাছি এসে কিছু অংশ নিয়ে যায়, সেটা ছিনিয়ে নিতে পারে না মুর্তি বা তার উপাসক মানুষেরা। আধুনিক বিজ্ঞান বলে, মাছি খাবারে বসার সাথে সাথে তার লালা মিশিয়ে খাবারটিকে তরল করে দ্রুত শুষে নেয়, যা রাসায়নিকভাবে পরিবর্তন হয়ে যায় এবং তা আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না। তাই একে তো তাকে ধরে খাবার ফেরত আনা কঠিন তার উপর সেটি ততক্ষনে পরিবর্তন হয়ে যায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্রষ্টার তুলনায় আমরা এবং আল্লাহ ছাড়া যারা অন্য কোন কিছুকে উপাস্য মানে তারাসহ আমাদের চারপাশের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সৃষ্টিগুলো কতটা নির্ভরশীল ও দুর্বল। ৭৩ নং আয়াতে সেটিই বলা হয়েছে। 

মাছির এই দ্রুত উড়ে যাওয়ার পিছনে লুকিয়ে আছে বিশেষ গঠন ও ক্ষমতা। মাছির দুটি বড় চোখ আসলে অসংখ্য ছোট ছোট চোখের সমষ্টি, যেগুলোকে ওমাটিডিয়া (Ommatidia) বলা হয়। একটি সাধারণ গৃহস্থালি মাছির (Housefly) প্রতিটি চোখে প্রায় ৪,০০০টি ওমাটিডিয়া থাকে। প্রতিটি ওমাটিডিয়া আলাদা আলাদাভাবে চারপাশের দৃশ্যের একেকটি অংশ বা পিক্সেল গ্রহণ করে এবং সব মিলিয়ে মাছির মস্তিষ্কে একটি সম্পূর্ণ মোজাইক ছবি তৈরি হয়। চোখগুলো গোল গোল এবং মাথার দুই পাশে এমনভাবে বসানো থাকে যে তারা প্রায় ৩৬০ ডিগ্রি কোণে বা সব দিকে একসাথে দেখতে পায়। অর্থাৎ, সামনে তাকিয়ে থাকার সময়ই তারা একই সাথে তাদের পেছনে কী ঘটছে তাও অনায়াসে দেখে ফেলে। এই কারণেই পেছন থেকে আলতো করে আঘাত করতে গেলেও মাছি দ্রুত টের পেয়ে উড়ে যায়।

দুটি বিশাল যৌগিক চোখ ছাড়াও মাছির মাথার ঠিক ওপরের দিকে (কপালের মাঝখানে) তিনটি ছোট এবং সাধারণ চোখ থাকে, যেগুলোকে ওসেলি (Ocelli) বলা হয়। এই চোখগুলো দিয়ে তারা পরিষ্কার ছবি দেখতে না পারলেও আলোর তীব্রতা এবং সামান্যতম নড়াচড়া বা ছায়া খুব দ্রুত সনাক্ত করতে পারে। কোনো শত্রু আক্রমণ করতে এলে এই ওসেলি-ই তাদের প্রথম সতর্কবার্তা পাঠায়। 

মাছিদের কোনো চোখের পাতা (Eyelids) থাকে না। তাই তারা আমাদের মতো চোখ বন্ধ করতে পারে না বা চোখের পলক ফেলতে পারে না। ঘুমানোর সময়ও তাদের চোখ খোলাই থাকে! চোখের সুরক্ষা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য তারা তাদের সামনের দুই পা দিয়ে প্রতিনিয়ত চোখের ওপর লেগে থাকা ধূলিকণা ব্রাশ করে পরিষ্কার করে।

মানুষের চোখের চেয়ে মাছির চোখ অনেক বেশি দ্রুত ছবি প্রসেস করতে পারে। মানুষ প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৬০টি ফ্রেম বা ছবি আলাদাভাবে বুঝতে পারে, যেখানে মাছিরা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৫০টি ফ্রেম বা ছবি দেখতে পায়। এর মানে হলো, আমাদের কাছে যা সাধারণ গতি, মাছির কাছে তা একদম 'স্লো-মোশন' বা ধীরগতি। এই অতি-মানবিক (বা অতি-মাছিক!) রিফ্লেক্সের কারণেই মাছিকে ধরা বা মারা প্রায় অসম্ভব বললেই চলে।

তারা মানুষের চেয়ে অনেক ভালো আল্ট্রাভায়োলেট (UV) বা অতিবেগুনি রশ্মি দেখতে পায়। এই বিশেষ দৃষ্টিশক্তির কারণে তারা খুব সহজেই পচনশীল খাবার বা বর্জ্য খুঁজে বের করতে পারে, যা সাধারণ আলোতে বোঝা কঠিন।

কোনো বিপদের সংকেত পাওয়ার পর মাছি মাত্র ১০০ মিলিসেকেন্ডের (১ সেকেন্ডের ১০ ভাগের ১ ভাগ) মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ডানা ঝাপটে উড়ে যেতে পারে। মাছির ডানার ঠিক পেছনে 'হাল্টারেস' নামে  বিবর্তিত পেছনের ডানা থাকে, যা ওড়ার সময় জাইরোস্কোপের মতো কাজ করে। এটি মাছিকে বাতাসে তার শরীরের ভারসাম্য ও দিক ঠিক রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে তারা ওড়ার মাঝপথেই হুট করে যেকোনো দিকে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় বাঁক নিতে পারে। 

সাধারন মাছি ওড়ার সময় তাদের নিজেদের শরীরের ওজনের সমান ওজনের বস্তু বা তরল পা দিয়ে আঁকড়ে ধরে বহন করতে পারে। কিছু মাছি  তাদের নিজেদের ওজনের চেয়ে ২ থেকে ৩ গুণ পর্যন্ত ভারী কিছু বহন করতে পারে। 

মাছিদের পায়ের নিচে থাকা সূক্ষ্ম হুক এবং চটচটে প্যাড (Pulvilli) ভারী বা পিচ্ছিল খাবারকে শক্ত করে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং তাদের শক্তিশালী বক্ষপেশী (Thoracic muscles) ডানা দুটিকে প্রতি সেকেন্ডে ২০০ বারের বেশি ঝাপটাতে সাহায্য করে, যা এই ওজন নিয়ে উড়তে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। সুতরাং মাছি বেশ ভাল পরিমান খাবারই নিয়ে দ্রুত উড়ে যেতে পারে। 

"যখন তোমাদের কারো খাবারে বা পানীয়তে মাছি পড়ে, তখন সে যেন তাকে পুরোপুরি চুবিয়ে দেয় এবং তারপর তা ফেলে দেয়। কারণ তার এক ডানায় রয়েছে রোগ (জীবাণু) আর অন্য ডানায় রয়েছে তার আরোগ্য বা প্রতিষেধক (অ্যান্টিবডি)।" (সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৩৩২০)

মাছি সাধারণত পচনশীল আবর্জনা, মলমূত্র এবং নোংরা জায়গায় বসে। ফলে এদের শরীর এবং পায়ের সূক্ষ্ম লোমে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং রোগজীবাণু লেগে থাকে। মাছি যখন তরল খাবারে বসে, তখন সে তার শরীরকে বাঁচানোর জন্য সাধারণত এক পাশ কাত করে বসে, যার ফলে তার একটি ডানা বা অংশ আগে খাবারে স্পর্শ করে এবং রোগজীবাণু খাবারে ছড়িয়ে পড়ে। 

অণুজীববিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে, মাছি যেহেতু অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে বাস করে, তাই প্রকৃতির নিয়মেই এদের শরীরের ভেতরে এবং ডানার ত্বকে এক ধরণের বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা থাকে।  মাছি যখন সম্পূর্ণ তরলে ডুবে যায় বা কোনো চাপের মুখে পড়ে, তখন তার শরীর ও ডানা থেকে এক ধরণের বিশেষ এনজাইম এবং অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান নিঃসৃত হয়। এই উপাদানগুলো তরলে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। খাবারটিকে আবার জীবাণুমুক্ত বা নিরাপদ করে তোলে।

আল্লাহ আল কুরআন এ বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন যেন তোমরা হতে পারো (লাআল্লাকুম)। এটা বলার মাধ্যমে তিনি মানুষের কাঙ্খিত মূল গুণাবলীগুলোর পরিচয় দিয়েছে। তিনি বলেছেন যেন তোমরা মুত্তাকী (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ২১, ১৮৩), কৃতজ্ঞ (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ৫২, ১৬ তম সূরা নাহল, আয়াত ৭৮), সঠিক পথপ্রাপ্ত (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ৫৩, ৩য় সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১০৩), চিন্তা ভাবনাকারী (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ২১৯, ২৬৬), বিচক্ষণ (১২ সূরা ইউসুফ, আয়াত ২, ৪৩ তম সূরা জুখরুফ, আয়াত ৩), সফল (৩য় সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩০, ২২ তম সূরা হজ্জ, আয়াত ৭৭), উপদেশ গ্রহণকারী  (২য় সূরা বাকারা, আয়াত ২২১, ১৬ তম সূরা নাহল, আয়াত ৯০), দয়া ও রহমতপ্রাপ্ত  (৬ষ্ঠ সূরা আনআম, আয়াত ১৫৫, ২৪ তম সূরা নুর, আয়াত ৫৬), 

আমাদের সেগুলো অর্জনের চেষ্টা করতে হবে।

উপরের নোটের কিছু অংশ উস্তাদ নোমান আলী খান এর বিভিন্ন লেকচার এবং ইন্টারনেট থেকে কিছু ভিডিও, ছবি থেকে অনুপ্রানীত হয়ে সম্পাদনা করে গ্রহণ করা হয়েছে। কুরআন সম্পর্কে 
উস্তাদের দারুন বই কিনতে পারেন এই লিঙ্ক থেকেঃ রিভাইভ ইয়োর হার্ট ডিভাইন স্পিচ


মন্তব্যসমূহ